প্রতিকেজি কাঁচামরিচের দাম ১৫০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা shomoybd24

সম্পাদক-প্রকাশকঃ মারুফুর রহমান ফকির
শুক্র, 06.10.2017 - 07:45 PM
Share icon
সময় ডেস্ক ঃ প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর ২০১৭ 
রাজধানীর বাজারগুলোতে বয়লার মুরগির দাম কমলেও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে কাঁচাসবজি। পটল, ঝিঙা, করলা, ধেড়স, ধুন্দল, বেগুন সব সবজিই বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার ওপরে কেজি দরে। একমাত্র কচুরমুখি পাওয়া যাচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে। আর ঝাঁজ বেড়েই চলেছে কাঁচামরিচে। সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম বেড়ে দ্বিগুণের ওপরে হয়েছে। গত সপ্তাহের প্রতিদিনই আগের দিনের তুলনায় কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত পরিমাণে বেড়েছে। শীতকাল শুরু না হলেও শীতের কিছু সবজি এরইমধ্যে বাজারে চলে এসেছে। এরপরও দাম কমছে না। মূলত আড়ত থেকে বেশি দামে সবজি কিনে আনার কারণে খুচরা বিক্রেতাদেরও চড়া দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এদিকে রাজধানীর বাজারগুলোতে পাগলা ঘোড়ার মতো লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম। গত সপ্তাহের প্রায় প্রতিটি দিনই কাঁচামরিচের দাম আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। এ ধারা শুক্রবারও অব্যাহত রয়েছে। ফলে প্রতিকেজি কাঁচামরিচের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে। বৃহস্পতিবার প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে। আর গত সপ্তাহে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। সে হিসাবে কাঁচামরিচের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়ে প্রায় আড়াইগুণ হয়েছে। কাঁচামরিচের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়লেও আগের সপ্তাহের মতোই দাম অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের। প্রতিকেজি দেশি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে দেশি রসুন। এদিকে রাজধানীর বাজারগুলোতে কয়েকমাস ধরেই ১০০ টাকা কেজি দরের ওপরে বিক্রি হচ্ছে শিম। শুক্রবার রামপুরা অঞ্চলের বাজারগুলোতে মান ও বাজার ভেদে শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহে প্রতিকেজি শিম বিক্রি হয় ১৩০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে। সে হিসেবে শিমের দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে তা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। শিমের দাম কমলেও ধেড়স ও টমেটোর দাম কিছুটা বেড়েছে। প্রতিকেজি ধেড়স বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে এ সবজিটি দাম ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি। আগের সপ্তাহে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি টমেটোর দাম বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা। তবে ছোট করলার দাম কিছুটা কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আগের সপ্তাহে এ সবজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। ছোট করলার মতো বড় করলাও ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছুটা দাম কমে সাদা বয়লার মুরগির বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহে সাদা বয়লার মুরগির দাম ছিল ১৩০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা কেজি। সাদা বয়লার মুরগির মতোই কিছুটা দাম কমেছে লাল মুরগির। প্রতিকেজি লাল মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা কেজি। তবেগরুর মাংস আগের মতোই ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে সাড়ে ৭৫০ টাকা কেজি দরে। রামপুরা বৌ-বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আব্দুর রহিম বলেন, আড়ত থেকে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ আগের সপ্তাহের তুলনায় ১০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হয়েছে। যে কারণে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। মরিচের দাম বাড়ার কারণে আগে যারা এক পোয়া করে মরিচ কিনতেন এখন তারা এক’শ গ্রাম করে কিনছেন। ফলে আমাদের বিক্রির পরিমাণও কমে গেছে। যে কারণে আগে আড়ত থেকে কিনে যে পরিমাণ বেশি দামে বিক্রি করতাম, এখন তার থেকে একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা বলেন, পটলের কেজি ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬৫ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ধুনদল ৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫০ টাকা কেজি দরের নিজে কোনো সবজি নেই ? এমন প্রশ্ন করলে এই বিক্রেতা বলেন, আছে তো। কচুরমুখি আছে। প্রতিকেজি কচুরমুখি মাত্র ২০ টাকা।
Share icon