শেরপুরে বাবা-ছেলেসহ চারজনকে নৃশংসভাবে আহত করার মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন 

সম্পাদক-প্রকাশকঃ মারুফুর রহমান ফকির
বৃহস্পতি, 02.04.2020 - 09:01 PM
Share icon

সময় নিউজ ডেস্কঃ শেরপুর সদরের পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ফকির পাড়া গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে বাবা-ছেলেসহ চারজনকে নৃশংসভাবে আহত করার মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার দাবি জানিয়েছেন হা্মলার শিকার ব্যক্তিরা। গত ২৭ মার্চ সদর উপজেলার পাকুরিয়া ফকিরপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজনের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বাবা-ছেলেসহ চারজনকে নৃশংসভাবে আহত করার এ ঘটনা ঘটে। 
  

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পাকুরিয়া ফকিরপাড়া গ্রামে হামলার শিকার পরিবারটির পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন হামলায় আহত আব্দুস ছামাদের ছেলে আফাজ উদ্দিন। 
    
সম্মেলনের বক্তব্য ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত ৬ শতাংশ জমি নিয়ে পাকুরিয়া ফকিরপাড়া গ্রামের আব্দুস ছামাদের সঙ্গে প্রতিবেশী খোরশেদ আলমের বিরোধ চলে আসছিল।

গত ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে আব্দুস ছামাদ ও তাঁর তিন ছেলে আনার মিয়া, আনিস মিয়া ও আফাজ উদ্দিন পাকুরিয়া ফকিরপাড়া গ্রামের বাড়িসংলগ্ন ওই জমিতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন।

এ সময় প্রতিবেশী খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে ও নির্দেশে ৭ সন্ত্রাসী পূর্বপরিকল্পিতভাবে রামদা, ফালা, লোহার রড, শাবল, খুন্তিসহ বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ওই জমি বেদখল করার উদ্দেশ্যে তাঁদের ওপর হামলা করেন। হামলায় আব্দুস ছামাদ ও তাঁর তিন ছেলে গুরুতর আহত হন।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় এলাকাবাসী তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে জেলা সদর হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। হামলায় আব্দুস ছামাদ ও তাঁর ছেলেদের মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম হয়। গত ৩০ মার্চ সোমবার চিকিৎসক ছাড়পত্র দিয়ে তাঁদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেন। 
    
প্রতিপক্ষের এ নির্মম হামলার ঘটনায় আহত আফাজ উদ্দিনের স্ত্রী রাজিয়া বেগম বাদী হয়ে গত ২৮ মার্চ শনিবার খোরশেদ আলমকে প্রধান আসামি করে সাতজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা করেন। কিন্তু মামলার প্রায় এক সপ্তাহ পরও কোন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।

এতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ও তাঁদের ওপর পুনরায় হামলার আশঙ্কা করছেন। আহত আফাজ উদ্দিন হামলার ঘটনায় জড়িত সকল আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের নিকট দাবি জানান। 
    
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পুলিশ মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে ও জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

    

Share icon