“জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে শেখ হাসিনার মৃ-ত্যু-দ-ণ্ড কাম্য”- সাবেক এমপি রুবেল

মারুফুর রহমান, শেরপুর: ঐতিহাসিক “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস” উপলক্ষে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল বিজয় র্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মাহমুদুল হক রুবেলের নেতৃত্বে র্যালিটি থানা মোড় থেকে শুরু হয়ে বাজারের প্রধান সড়ক, স্টেডিয়াম ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রদক্ষিণ শেষে আবার থানা মোড়ে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী বাস, ট্রাক, অটোরিকশা ও বাদ্যযন্ত্র সহকারে মিছিল নিয়ে র্যালিতে যোগ দেন।
র্যালি শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, “সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, সেই দায়ে তার সর্বোচ্চ শাস্তি, মৃত্যুদণ্ডই আমাদের কাম্য। তিনি শুধু গণতন্ত্রই হত্যা করেননি, জাতির ভবিষ্যৎকে স্তব্ধ করে দিয়েছেন। এখনও সেই পরাজিত শক্তি নির্বাচন বানচালের নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমরা ফেব্রুয়ারির মধ্যেই একটি সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন চাই এবং সেই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তারেক রহমান দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
”সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লুৎফর রহমান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু রায়হান রূপন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. শরিফুল ইসলাম প্রমূখ।
বক্তারা সবাই দাবি করেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জয়যাত্রা। আজকের এই দিনে শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে আমরা নতুন করে শপথ নিচ্ছি। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনে এই দেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করব।”
সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আ. মান্নান।