শেরপুরে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে ৩ ঘোড়া জবাই, পালিয়ে গেল কারবারিরা

স্টাফ রিপোর্টার
শুক্র, 28.08.2026 - 10:18 AM
Share icon
Image

 

 

স্টাফ রিপোর্টার, শেরপুর: শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে তিনটি ঘোড়া জবাই করার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। তবে জবাই করা ঘোড়ার মাংস বিক্রির আগেই কথিত কারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘোড়ার মাংসের আলামত জব্দ ও নমুনা সংগ্রহ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ভালুকা এলাকার ফরহাদের বাড়ির পেছনে ফুলহারি নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফুলহারি এলাকায় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা দীর্ঘদিন ধরে খোঁজখবর রাখছিলেন।

স্থানীয়দের দাবি, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা ওই এলাকায় তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাংস দেখতে পান। এ সময় সেখানে আরও তিনটি জীবিত ঘোড়া বাঁধা অবস্থায় ছিল। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে কথিত কারবারিরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘোড়ার মাংসের নমুনাসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। তবে পুলিশের উপস্থিতির আগেই ঘটনাস্থল থেকে কথিত কারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ঝিনাইগাতী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান বলেন, “তথ্য পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে ঘোড়ার মাংসের আলামত পাওয়া গেছে এবং নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে বাঁধা অবস্থায় কোনো ঘোড়া দেখতে পাইনি। আমাদের পৌঁছানোর আগেই কারবারিরা পালিয়ে গেছেন।”

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে জড়িত কারবারিদের শনাক্ত করা হবে। তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।”

Share icon