শেরপুরে বেসিক ট্রেড ইউনিয়নের ২৭ শ্রমিক সংগঠনের প্ল্যাটফর্মে নরসুন্দর সেলুন কল্যাণ ফাউন্ডেশন
শেরপুর জেলা বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে। এবার পরিষদটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ নরসুন্দর সেলুন কল্যাণ ফাউন্ডেশন, শেরপুর জেলা শাখা। নতুন সংগঠনটি যুক্ত হওয়ায় পরিষদের অধিভুক্ত শ্রমিক সংগঠনের সংখ্যা ২৬ থেকে বেড়ে ২৭ টিতে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে শেরপুর শহরের নিউমার্কেট এলাকায় বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নরসুন্দর সেলুন কল্যাণ ফাউন্ডেশনকে পরিষদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে শেরপুর জেলা বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি দিদারুজ্জামান সিদ্দিকী দিদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রমজান আলী, সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান বাদশা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল মিয়া এবং আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আলমগীর কিবরিয়া কামরুলসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ নরসুন্দর সেলুন কল্যাণ ফাউন্ডেশনের শেরপুর জেলা কমিটির সভাপতি শ্রী জয়দেব চন্দ্র শীল, সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রী নির্মল চন্দ্রশীল, সহ-সভাপতি লিটন চন্দ্র ঋষি, সাধারণ সম্পাদক মো: ইমরান আলীসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি দিদারুজ্জামান সিদ্দিকী দিদার বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। বিভিন্ন পেশার শ্রমিক সংগঠনকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার মাধ্যমে তাদের ন্যায্য দাবি, মর্যাদা ও কল্যাণের বিষয়গুলো আরও সংগঠিতভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। নরসুন্দর ও সেলুনকর্মীদের অধিকার ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ তাদের পাশে থাকবে।
অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা বক্তব্যে বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন পেশার শ্রমিক সংগঠনকে একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার মাধ্যমে তাদের ন্যায্য দাবি আদায় এবং কল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। নরসুন্দর ও সেলুনকর্মীদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কথাও জানান নেতৃবৃন্দ।
জেলা বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ সূত্রে জানা যায়, নরসুন্দর সেলুন কল্যাণ ফাউন্ডেশন যুক্ত হওয়ার আগে পরিষদের সঙ্গে ২৬টি শ্রমিক সংগঠন ছিল। নতুন সংগঠনটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বর্তমানে ২৭টি সংগঠন নিয়ে পরিষদটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
